মস্তিষ্কে রক্ত সরবরাহে ব্যাঘাত ঘটার কারণে স্নায়ুতন্ত্রের কাজে ব্যাঘাত ঘটলে তাকে স্ট্রোক বলে। স্ট্রোক হয় মস্তিষ্কে, হৃৎপিণ্ডে নয়; এ ব্যাপারে অনেকের ভুল ধারণা আছে। দুইভাবে স্ট্রোক হতে পারে; দেখো।
দাদু হঠাৎ প্রচণ্ড মাথাব্যথা নিয়ে বমি করলেন, মুখ বেঁকে গেল। সঠিক কাজগুলো বেছে নাও।
রোগ নির্ণয়: মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ নাকি রক্ত জমাট বেঁধেছে তা নির্ণয় করে নিশ্চিত হওয়া যায়। রক্তক্ষরণ বন্ধ করা সম্ভব নয়, তবে জমে থাকা রক্ত অনেক সময় অস্ত্রোপচারে বের করতে হয়। উচ্চ রক্তচাপ থাকলে নিয়ন্ত্রণ করতে হয়।
সেবা: উপযুক্ত শুশ্রূষা, মলমূত্র ত্যাগের সুব্যবস্থা, পরিচ্ছন্নতা, পথ্য; প্রয়োজনে নলের সাহায্যে খাওয়ানো। ফিজিওথেরাপিস্টের পরামর্শে অবশ অঙ্গ নিয়মে নড়াচড়া করালে অস্থিসন্ধি শক্ত হওয়া রোধ হয়; জ্ঞান ফিরলে নিজ প্রচেষ্টায় নড়াচড়ায় উৎসাহিত করতে হয়।
আরোগ্য: প্রাথমিক পর্যায়ে দ্রুত উন্নতি হয়, কিন্তু দুমাস পরে উন্নতি ক্রমশ কমে আসে। অবশ হাতে শক্তি ফেরে, তবে সূক্ষ্ম কাজের ক্ষমতা পুরোপুরি ফেরে না। বাক নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্র ক্ষতিগ্রস্ত হলে কথা জড়িয়ে যায়।
প্রতিরোধ: ধূমপান পরিহার, উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ, ডায়াবেটিসে নিয়মিত ঔষধ সেবন, দুশ্চিন্তামুক্ত সুন্দর ও স্বাভাবিক জীবন যাপন।