← সব খেলা ও চিত্র
৯ম-১০ম শ্রেণি · জীববিজ্ঞান · অধ্যায় ১০ · পাঠ ৩

🚭 নিকোটিনের ফাঁদ

তামাক, গাঁজা, ভাং, চরস, আফিম, মরফিন, কোকেন, মদ ইত্যাদি মাদকদ্রব্য হিসেবে পরিচিত। জর্দা চিবিয়ে খেলে বা ধূমপান করলে রক্তে নিকোটিনের মাত্রা বেড়ে যায়। নিচের সিমুলেশনে দেখো কীভাবে একজন আসক্ত হয়ে পড়ে। (শুধু শেখার জন্য)

নিকোটিনের চাহিদা
স্নায়ুকোষের কার্যকারিতা

মানুষ কেন মাদকাসক্ত হয়?

মাদকের প্রতি কৌতূহলবন্ধুবান্ধব ও সঙ্গীদের প্রভাবনতুন অভিজ্ঞতার আগ্রহসহজ আনন্দ লাভের চেষ্টাপরিবারে মাদকের সহজলভ্যতাপারিবারিক কলহ ও অশান্তিবেকারত্ব, হতাশা, অভাব অনটনকুফল সম্পর্কে অজ্ঞতা

সাম্প্রতিক গবেষণা থেকে ধারণা করা হচ্ছে, সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ নিয়ামক হলো স্বাভাবিক সামাজিক ও পারিবারিক সম্পর্কের ঘাটতি।

মাদকাসক্তির কুফল

🧠মানসিক
🫁শারীরিক
👥সামাজিক
💸আর্থিক

নিজস্ব ইচ্ছাশক্তির কাছে হার মেনে নেশাদ্রব্য গ্রহণে বাধ্য হয়; চিন্তাশক্তি ক্রমে লোপ পায়; কাজে মনোযোগ হারায়, সাধারণ জীবনযাপনে ব্যর্থ হয়; অতিরিক্ত নেশায় অচৈতন্য অবস্থায় যেকোনো স্থানে পড়েও থাকতে পারে। নির্দিষ্ট সময় পর পর মাদক না পেলে কষ্ট হয়, শরীরে অনিয়ন্ত্রিত খিঁচুনিও হতে পারে; মাদকের অর্থ জোগাড়ে অপরাধমূলক কাজে জড়িয়ে পড়ে।

পরিত্রাণের উপায়

👨‍👩‍👧 পারিবারিক ও সামাজিকভাবে স্বাস্থ্যকর সম্পর্কের পরিবেশ বজায় রাখা
📚 নৈতিক শিক্ষা কার্যক্রম প্রসার করা
💼 বেকারদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা
🚫 অসৎ বন্ধুবান্ধব থেকে দূরে থাকা ও কুফল সম্পর্কে অবহিত করা
📢 জনসচেতনতা গড়ে তোলা ও আইনের সঠিক প্রয়োগ

মাদকাসক্তদের ঘৃণা বা অবহেলা না করে সহানুভূতির সাথে ধৈর্য সহকারে সমাজে পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করা উচিত; প্রয়োজনে মাদকাসক্তি নিরাময় কেন্দ্রের সহায়তা নিতে হবে, যেখানে পরিবারের সহানুভূতি ও সহযোগিতা অত্যন্ত জরুরি। ১৯৯০ সালে বাংলাদেশ মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর প্রতিষ্ঠা করা হয়; এর কাজ মাদকদ্রব্য আইন প্রণয়ন, আইনের প্রয়োগ, নিরোধ, চিকিৎসা ও পুনর্বাসন।

একক কাজ: তামাক ও মাদকদ্রব্যের ক্ষতিকর প্রভাব নিয়ে পোস্টার বা লিফলেট এঁকে শ্রেণিতে উপস্থাপন করো।

ভেবে দেখো