প্রস্বেদনের হার অনেকগুলো প্রভাবকের উপর নির্ভর করে: বাহ্যিক প্রভাবক (তাপমাত্রা, আপেক্ষিক আর্দ্রতা, আলো, বায়ুপ্রবাহ) আর অভ্যন্তরীণ প্রভাবক (পত্ররন্ধ্র, পাতার সংখ্যা ও আয়তন ইত্যাদি)। নিয়ন্ত্রকগুলো বদলে দেখো উদ্ভিদের কী হয়।
প্রস্বেদনের হার (পানি হারানো)
মূল দিয়ে পানি শোষণ
প্রস্বেদন: একটি অতি প্রয়োজনীয় অমঙ্গল
✅ উপকার • প্রস্বেদনে জাইলেমবাহিকায় টান পড়ে, ফলে মূলরোমে শোষিত পানি ও খনিজ লবণ পাতায় পৌঁছায়। • পাতার মেসোফিলে ব্যাপন চাপ ঘাটতি সৃষ্টি হয়ে পানি শোষণে সাহায্য করে। • পত্রফলকের শোষিত তাপ কমিয়ে কোষের তাপমাত্রা সহনশীল রাখে।
⚠️ অপকার • শোষণের চেয়ে প্রস্বেদনে পানি হারানোর হার বেশি হলে পানি ও খনিজের ঘাটতি দেখা দেয়, উদ্ভিদ মারা যেতে পারে। • মাটিতে পানির ঘাটতি থাকলে শোষণ কমে, কিন্তু প্রস্বেদন চলতেই থাকে।
এ অবস্থা ঠেকাতে প্রকৃতি শীত মৌসুমে বহু উদ্ভিদের পাতা ঝরিয়ে দেয়। বিজ্ঞানী কার্টিস প্রস্বেদনকে প্রয়োজনীয় ক্ষতি (Necessary Evil) নামে অভিহিত করেছেন। তবু সার্বিক বিচারে এটি উদ্ভিদকে টিকে থাকতে সুবিধা দেয়, তাই অতি প্রয়োজনীয়।