← সব খেলা ও চিত্র
৯ম-১০ম শ্রেণি · জীববিজ্ঞান · অধ্যায় ৬ · অংশ ২

🔁 রক্তের এক চক্কর: সারা দেহে, তারপর ফুসফুসে

মানবদেহে রক্ত কেবল হৃৎপিণ্ড ও রক্তনালির মধ্যেই থাকে, কখনো বাইরে আসে না; একে বদ্ধ সংবহনতন্ত্র বলে। সারা দেহে রক্ত একবার ঘুরে আসতে মাত্র এক মিনিট বা তার চেয়েও কম সময় লাগে। একটি রক্তকণার যাত্রা ধাপে ধাপে অনুসরণ করো।

তিন ধরনের রক্তবাহিকা

ধমনি ও শিরার পার্থক্য (একক কাজ)

বৈশিষ্ট্যধমনিশিরা
উৎপত্তি ও সমাপ্তিহৃৎপিণ্ড থেকে শুরু, কৈশিক জালিকায় শেষকৈশিক জালিকা থেকে শুরু, হৃৎপিণ্ডে শেষ
রক্তপ্রবাহের দিকহৃৎপিণ্ড থেকে দেহের দিকেদেহ থেকে হৃৎপিণ্ডের দিকে
রক্তের প্রকৃতিসাধারণত অক্সিজেনসমৃদ্ধ (ব্যতিক্রম: ফুসফুসীয় ধমনি)সাধারণত CO₂সমৃদ্ধ (ব্যতিক্রম: ফুসফুসীয় শিরা)
প্রাচীরপুরু, স্থিতিস্থাপককম পুরু, কম স্থিতিস্থাপক ও কম পেশিময়
ভেতরের নালিপথসরুএকটু চওড়া
কপাটিকাথাকে নাথাকে
অবস্থানসাধারণত দেহের গভীরেসাধারণত ত্বকের কাছাকাছি

ধমনি ও শিরা উভয়ের রক্তেই অক্সিজেন ও কার্বন ডাই-অক্সাইড মিশে থাকে, তবে মাত্রা ভিন্ন। ("অবস্থান" সারিটি সাধারণ জ্ঞান থেকে যোগ করা হয়েছে।)

বদ্ধ সংবহনতন্ত্রের সুবিধা

(ক) রক্ত সরাসরি দেহের বিভিন্ন অঙ্গে গিয়ে পৌঁছে। (খ) রক্তবাহী নালির ব্যাসের পরিবর্তন করে দেহ কোনো বিশেষ অঙ্গে রক্তপ্রবাহের পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ করতে পারে। (গ) রক্ত বিভিন্ন অঙ্গে ঘুরে দ্রুত হৃৎপিণ্ডে ফিরে আসে।
পরিবহনতন্ত্রের দুই অংশ: রক্ত সংবহনতন্ত্র (হৃৎপিণ্ড, ধমনি, শিরা ও কৈশিকনালি) এবং লসিকাতন্ত্র (লসিকা, লসিকানালি ও ল্যাকটিয়েলনালি)।

ভেবে দেখো