← সব খেলা ও চিত্র
৯ম-১০ম শ্রেণি · জীববিজ্ঞান · অধ্যায় ৮

💧 বৃক্ক যেভাবে দেহের পানি ঠিক রাখে

জীবদেহে পানি ও লবণের পরিমাণ এমনভাবে নিয়ন্ত্রিত হয় যাতে দেহাভ্যন্তরে অভিস্রবণ চাপ প্রায় অপরিবর্তিত থাকে। এই প্রক্রিয়ার নাম অসমোরেগুলেশন বা পানিসাম্য। দেহের পানিসাম্য নিয়ন্ত্রণে বৃক্ক প্রধান ভূমিকা পালন করে।

অভিস্রবণ চাপ কী? (৬ষ্ঠ অধ্যায়ের সাথে যোগসূত্র)

বৈষম্যভেদ্য পর্দার একপাশে একটি দ্রবণ আর অপরপাশে শুধু ঐ দ্রবণের দ্রাবক (এক্ষেত্রে পানি) থাকলে বিশুদ্ধ দ্রাবকের দিক থেকে দ্রবণের মধ্যে অভিস্রবণ ঘটে। দ্রবণের দিক থেকে চাপ প্রয়োগ করে সেই অভিস্রবণ বন্ধ করা যায়; এ জন্য সর্বনিম্ন যেটুকু চাপ প্রয়োগ করতে হয় সেটিই ঐ দ্রবণের জন্য অভিস্রবণ চাপ।

যাবতীয় শারীরবৃত্তিক কাজের জন্য দেহে পরিমিত পানি অপরিহার্য। মূলত মূত্রের মাধ্যমেই সবচেয়ে বেশি পানি দেহ থেকে বেরিয়ে যায়। বৃক্ক নেফ্রনের মাধ্যমে পুনঃশোষণ প্রক্রিয়ায় দেহে পানির সমতা বজায় রাখে।

আগে মনে করা হতো সবার প্রতিদিন আট গ্লাস পানি পান করা উচিত। আধুনিক গবেষণায় দেখা যায়, প্রয়োজনীয় পানির পরিমাণ ব্যক্তি, লিঙ্গ, কাজের ধরন, শারীরিক অসুস্থতা ও আবহাওয়া ভেদে ভিন্ন হয় এবং প্রয়োজনের অতিরিক্ত পানি পান করা ঠিক নয়। তাই পিপাসা পেলেই পানি পান করা উচিত।

ভেবে দেখো