কিডনি বিকল হলে মূত্রের পরিমাণ কমে যায় এবং রক্তে ক্রিয়েটিনিন বৃদ্ধি পায়। তখন দুটি উপায়ে রোগীকে বাঁচানো যায়: নির্দিষ্ট সময় পর পর ডায়ালাইসিস, অথবা কিডনি প্রতিস্থাপন।
| ডায়ালাইসিস | প্রতিস্থাপন | |
|---|---|---|
| কী করা হয় | যন্ত্রের সাহায্যে বৈজ্ঞানিক উপায়ে রক্ত পরিশোধন | সুস্থ ব্যক্তির কিডনি রোগীর দেহে সংযোজন |
| কিডনির উৎস | লাগে না, মেশিন কাজ করে | নিকট আত্মীয় বা মৃত (ব্রেন ডেড) ব্যক্তি |
| কতবার | নির্দিষ্ট সময় পর পর বারবার | একবার; একটি কার্যক্ষম কিডনিতেই জীবনধারণ সম্ভব |
| শর্ত | মেশিন ও হাসপাতাল সুবিধা | টিস্যু ম্যাচ করতে হবে; আইনগতভাবে রক্তের সম্পর্ক দরকার |
| সীমাবদ্ধতা | ব্যয়বহুল ও সময়সাপেক্ষ | দাতা পাওয়া কঠিন; অনেক রোগী জরুরি প্রতিস্থাপন থেকে বঞ্চিত হন |
মরণোত্তর চক্ষুদানের মতো মরণোত্তর বৃক্কদানের মাধ্যমে একজন কিডনি বিকল রোগীর জীবন বাঁচানো সম্ভব। পৃথিবীতে লক্ষ লক্ষ কিডনি অকেজো রোগী কিডনি সংযোজনের মাধ্যমে সুস্থ জীবন যাপন করছেন, আমাদের দেশেও সাফল্যের সাথে হচ্ছে। বইয়ের একক কাজ: মরণোত্তর বৃক্কদান বিষয়ে পোস্টার এঁকে শ্রেণিতে উপস্থাপন করো।
শরীরের ভিতরে প্রতিস্থাপনের উপযোগী কৃত্রিম কিডনি আবিষ্কার করেছেন বাংলাদেশের বিজ্ঞানী ড. শুভ রায়।