← সব খেলা ও চিত্র
৯ম-১০ম শ্রেণি · জীববিজ্ঞান · অধ্যায় ৮

🩺 কিডনি বিকল হলে কী করা যায়?

কিডনি বিকল হলে মূত্রের পরিমাণ কমে যায় এবং রক্তে ক্রিয়েটিনিন বৃদ্ধি পায়। তখন দুটি উপায়ে রোগীকে বাঁচানো যায়: নির্দিষ্ট সময় পর পর ডায়ালাইসিস, অথবা কিডনি প্রতিস্থাপন।

কেন বিকল হয়?

ধীরে ধীরে বিকল
নেফ্রাইটিস, ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, কিডনিতে পাথর ইত্যাদি।
আকস্মিক বিকল
কিছু ঔষধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া, মারাত্মক ডায়রিয়া, অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ ইত্যাদি।
রোগীর রক্তে ইউরিয়া ও বর্জ্য

দুই পদ্ধতির তুলনা

ডায়ালাইসিসপ্রতিস্থাপন
কী করা হয়যন্ত্রের সাহায্যে বৈজ্ঞানিক উপায়ে রক্ত পরিশোধনসুস্থ ব্যক্তির কিডনি রোগীর দেহে সংযোজন
কিডনির উৎসলাগে না, মেশিন কাজ করেনিকট আত্মীয় বা মৃত (ব্রেন ডেড) ব্যক্তি
কতবারনির্দিষ্ট সময় পর পর বারবারএকবার; একটি কার্যক্ষম কিডনিতেই জীবনধারণ সম্ভব
শর্তমেশিন ও হাসপাতাল সুবিধাটিস্যু ম্যাচ করতে হবে; আইনগতভাবে রক্তের সম্পর্ক দরকার
সীমাবদ্ধতাব্যয়বহুল ও সময়সাপেক্ষদাতা পাওয়া কঠিন; অনেক রোগী জরুরি প্রতিস্থাপন থেকে বঞ্চিত হন

❤️ মরণোত্তর বৃক্কদান

মরণোত্তর চক্ষুদানের মতো মরণোত্তর বৃক্কদানের মাধ্যমে একজন কিডনি বিকল রোগীর জীবন বাঁচানো সম্ভব। পৃথিবীতে লক্ষ লক্ষ কিডনি অকেজো রোগী কিডনি সংযোজনের মাধ্যমে সুস্থ জীবন যাপন করছেন, আমাদের দেশেও সাফল্যের সাথে হচ্ছে। বইয়ের একক কাজ: মরণোত্তর বৃক্কদান বিষয়ে পোস্টার এঁকে শ্রেণিতে উপস্থাপন করো।

শরীরের ভিতরে প্রতিস্থাপনের উপযোগী কৃত্রিম কিডনি আবিষ্কার করেছেন বাংলাদেশের বিজ্ঞানী ড. শুভ রায়।

ভেবে দেখো