দিয়াশলাই দিয়ে মোমবাতি জ্বালাও। ভালোভাবে লক্ষ করো: মোমের একটু অংশ আগুনে পুড়ে যাচ্ছে, আর অন্য অংশটি গলে গা বেয়ে নিচে নেমে জমে যাচ্ছে।
মোমবাতিটি জ্বালাও, তারপর নিচের দুটি বোতাম চেপে দুই জায়গার পরিবর্তন দেখো।
দহন কাকে বলে?
মোম + অক্সিজেন → কার্বন ডাইঅক্সাইড + পানি + তাপ ও আলো
কোনো পদার্থ বাতাসের অক্সিজেনের সাথে বিক্রিয়া করে তাপশক্তি উৎপন্ন করলে তাকে দহন বলে। উৎপন্ন কার্বন ডাইঅক্সাইড বর্ণহীন, আর পানি বাষ্পীভূত হয়ে যায়, তাই আমরা এদের দেখতে পাই না। সকল দহন প্রক্রিয়াই রাসায়নিক পরিবর্তন।
আমাদের চারপাশে দহন
🍳চুলায় প্রাকৃতিক গ্যাস বা খড়ি পুড়িয়ে রান্না
🪵কয়লা বা কাঠ পোড়ানো
🕯️মোমবাতি জ্বালানো
🧍দেহকোষে খাদ্য ভেঙে শক্তি উৎপাদন
🍚 আমাদের দেহেও দহন চলে
খাদ্য পরিপাকের পর খাদ্যসার রক্তের মাধ্যমে দেহকোষে পৌঁছায়। দেহকোষে খাবার ভেঙে তাপশক্তি উৎপন্ন হয়, যা কাজে লাগিয়ে আমরা নানা কাজ করি। এটিও এক ধরনের দহন।